fbpx

নকল শাড়িকে আসল ভেবে ঠকে যাচ্ছেন না তো?

কথায় আছে, “শাড়িতেই নারী ” বিয়ে, গায়ে হলুদ, পহেলা বৈশাখ, পার্টি, ঈদ, পুজো, পহেলা ফাল্গুন, জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাঙালী নারীদের শাড়ি ছাড়া সাজটা যেন অপূর্ণই রয়ে যায়। তবে শাড়ি খুব সূক্ষভাবে নকল করা হয়। যে জন্য বেশিরভাগ সময় আসল শাড়ির সমপরিমান দাম দিয়ে নকল শাড়ি কিনে ঠকতে হয়। আজ আমি আসল শাড়ি চেনার কয়েকটি উপায় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। বাংলাদেশে বহু ধরনের শাড়ির প্রচলন রয়েছে, যেমন এন্ডি, কটন, সুতি, প্রিন্ট, সিল্ক, জর্জেট, নেট, শাটিন, বেনারসি, কাতান ইত্যাদি। এসব শাড়ির মাঝেও রয়েছে আবার রকম ফের। তবে শাড়ির ধরনের সংখ্যা অনেক হলেও অতিপরিচিত ৩ টি শাড়ি নিয়ে আজ কথা বলবো।

১. জামদানী শাড়ি : জামদানী শাড়িকে মসলিন কাপড়ের উত্তরসূরী ও বলা হয়ে থাকে। জামদানী শাড়ির বৈশিষ্ট্য হলো এই শাড়ি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি করা হয়। বিশ্বের অন্য কোন শাড়ি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি করা হয় না। তাই এটি অন্য সকল শাড়ির থেকে আলাদা। জামদানী শাড়ি ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে – শাড়ির দাম, সুতার মান এবং কাজের সুক্ষতা। জামদানী শাড়ি তাঁতি হাতে বুনে দেখে এটি হয় মসৃণ এবং জামদানি শাড়ির কাজ হয় নিখুঁত, কোন সুতা ওঠা থাকেনা। এটি বানানো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার এজন্য এই শাড়ির দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। অন্যদিকে মেশিনে বানানো শাড়ির দাম আসল শাড়ির থেকে কম হয়।

২. বেনারসি : নারীদের বেনারসি পড়ার চাহিদা যত বেশি ঠিক তেমন বেনারসি কিনে ঠকার সম্ভাবনাও ততটাই বেশি। আসল বেনারসি বেনারসি শাড়ি উল্টালে ঘন সুতার কাজ দেখা যায় যা নকল বেনারসি শাড়িতে দেখা যায় না। নকল বেনারসি শাড়ি উল্টো পাশ খসখসে হয়ে থাকে। আসল বেনারসি শাড়িতে সবসময় ৬-৮ ইঞ্চি মাপের লম্বা সিল্কের প্যাচ থাকে যা নকল শাড়িতে থাকে না। বেনারসি শাড়ি সাধারণত সিল্কের সুতো দিয়ে তৈরি হয় তাই শাড়ি ধরে হালকা ঘষা দিলে শাড়িটি যদি গরম হয়ে ওঠে তাহলে বুঝতে হবে এটি আসল শাড়ি।

৩. সিল্ক : খাটি সিল্ক চেনার একটি উপায় হলো এটি পোড়ালে চুল পোড়া গন্ধ বের হয় এবং ছাই হয়ে যায় ছাই ধরলে ছাই গুড়ো গুড়ো হয়ে যায়। অনদিকে নকল সিল্ক পোড়ালে তা প্লাস্টিকের মতো হয়।

ভালো কিছু শাড়ি দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Avatar Mobile
Main Menu x
X